Dhaka city – Only one main road connecting North & South

Commuters from Uttara to Motijheel know what it takes for them to reach their destination in rush hours. It is hard to believe that our urban planners couldn’t make a parallel lane to the Uttara – Motijheel road. Yes there are branch roads one through Kuril Bishwaroad and another one through Mohakhali Tejgaon – but still – Uttara to Kuril – ONLY ONE CONNECTING ROAD.

There was probably no need to write this article – but one recent incident on 14th & 15th October – Chinese President’s visit to Bangladesh is an eye opener for our urban planners. Chinese President was staying at Le Méridien Dhaka – which is located on this road. It is understandable that to ensure security for this VVIP – the security agencies needed blocking this road. But what is not understandable is that – this road is the only road through the city which connects the Northern and Southern part of the city. Not only that – the road is vital as Country’s largest Airport is located by this road. This road also connects few other Highways – such as:

  • Dhaka – Mymensingh Highway
  • Dhaka – Sylhet Highway
  • Dhaka – Jamuna Bridge Highway

Blocking this road entirely – means blocking these highways and blocking the way of Airport goers as well as blocking the commute from Uttara to Southern part of the city. This is insane!! The whole city had to suffer on those two days (14, 15 October 2016). Please have a look at the following map:

 

The problem on those two days were not only for North to South commuters. Since this road divides the city in two parts – East and West and people from both side needs to use this road to go to other sides – blocking this road means blocking East West crisscrossing too.

What on our policy makers’ minds go through when they plan to reside Chinese President Le Méridien Dhaka??? Couldn’t they imagine the consequences?? The VVIP not only stayed on that hotel – he had to use the road to attend all the programs and most of them were in the middle of the city.

Now this incident is an eye opener for our Urban planners to think seriously about the issue. It is understandable that not every day VVIPs will stay in Le Méridien Dhaka – but some other incidents may take place (For example, PM or VVIP Leaders are welcomed when they return from foreign trip) which can cause the road block. Moreover, in few years time twice the number of people will start living at Purbachol – so add those people in the number who will be using this road!!

It is time Government should take this issue seriously and try to build more roads connecting North to South. We have seen building flyovers are not even working since those do not have enough connecting roads which will make room for the transportation. There are still some less occupied areas through which roads can be built. These roads will definitely help reduce the pressure on the Airport road and moreover act as redundant connectivity from north to south.

Hasibul Islam

 

How to check numbers registered (Biometric) against your NID

If your curious mind wants to be sure no one else has used your NID to register their mobile number – you need to do the following:

Robi Users: Dial *1600*3#
Banglalink Users: Dial *1600*2#

GrameenPhone, Airtel, Teletalk and Citycell has not yet announced this feature.

Check your Mobile Balance – GrameenPhone, BanglaLink, Robi, Airtel, Teletalk, Citycell

Grameenphone: *566# (Prepaid), 12115 (Postpaid) or sms: 2000 (Postpaid)
Banglalink: *124#
Airtel: *778#
Robi: *222# or *222#1 or 222
Teletalk: *152#
Citycell: *8111

Check own number – GrameenPhone, BanglaLink, Robi, Airtel, Teletalk, Citycell

Since I needed this information quite often –  I believe many others will need it too. Here is how you may know your own number from various mobile phone operators:

GrameenPhone: *2#

BanglaLink: *511#

Robi: *140*2*4#

Airtel: *121*6*3#

Teletalk: *551#

Citycell: Type MDN & send it to 7678

ভ্যাট এবং একটি কবিতা

কোনো বাসে আগুন ধরে নাই – ভাঙ্গা হয় নাই গাড়ি।
সহিংসতাহীন আন্দোলনে ছিলনা বাড়াবাড়ি।
কেউ এসে দিয়ে যায়নি বিরানির কোনো প্যাকেট –
সিটি কর্পোরেশন দিয়ে যায়নি মোবাইল টয়লেট!!

ফার্মের মুরগি বলে যাদের দিকে মারা হত তীর
যৌক্তিক আন্দোলনে সফল হয়ে আজকে তারাই বীর।

ভ্যাটের শতকরায় শিখেছেন অনেক হিসাব।
মন্ত্রির মাথায়ই আসলে ছিল জ্ঞানের অভাব।

তা নাহলে দেশ করার কারিগরদের অজ্ঞ কিভাবে বলে?
শিক্ষকদের আন্দোলন ও যাবে না বিফলে।

– হাসিবুল ইসলাম 

প্রসঙ্গ: বাংলাদেশ ক্রিকেট – আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃক্ষিত

আমাদের সময়কার এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষার কথা হয়ত এখনকার জিপিএ ৫ পাওয়া ছেলে মেয়েরা কখনো অনুভব করতে পারবে না। আবার আমাদের আগের প্রজন্ম যারা ছিল – তারা ও বুঝতে পারবে না।  কেননা ৫০০০ MCQ মুখস্ত করে ৫০০ নম্বর তুলে ফেলতে পারত তারা। আমরা ছিলাম এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থার সময় – যখন ছিল সত্যিকারের মেধা যাচাই এর স্বর্ণ যুগ। কেন?

প্রথমত, সেই সময়কার শিক্ষা মন্ত্রী হয়ত উচ্চ পাশের হার কে সফলতা অনুধাবনই করতে পারেন নাই।  পারলে হয়ত জিপিএ ৫ নামের এই রকম উদ্ভট শিক্ষা ব্যবস্থার অবতারণা তখনই করে ফেলতেন। এখন নম্বর তোলা কতটা সহজ বা কতটা কঠিন সেই প্রসঙ্গে নাহয় না ই গেলাম। সে এক বিরাট ইতিহাস হয়ে দাড়াবে।

আমি ছিলাম মাঝারি  গোছের ছাত্র।  তাই পরীক্ষার খাতায় প্রাপ্ত নম্বর এর প্রথম টার্গেট ছিল লেটার (মানে ৮০+)। রেসাল্ট বলার সময় যত বেশি বিষয়ে লেটার তত ভাব চলে আসত। এখনকার জিপিএ ৫ কিন্তু ওই আমাদের সময়কার লেটার মার্কই। আমার মত ছাত্ররা ৫।৬ টা লেটার পেয়ে অনেক খুশি হতাম। কিন্তু কিছু পাগল ছিল যারা আমাদের মত ছাত্র দের ২/৩ গুন বেশি পড়ালেখা করত।  এই ২/৩ গুন বেশি পড়ালেখা করে হয়ত আমাদের থেকে গুটি কয়েক (৮/১০ কিংবা ১৫) নম্বর বেশি পেত। এই গুটি কয়েক নম্বর বেশি পেয়ে ও তাদের কে বলতে হত লেটার মার্ক পেয়েছে। এখনকার জিপিএ ৫ এর হিসাবে আমি আর ওই পাগল গুলার ফলাফলের  মধ্যে কিন্তু কোনো তফাত নাই।  ৮০ পাওয়া যা ৯০/৯২ পাওয়া ও তা।

বাবারা – তখনকার পরিস্থিতি কিন্তু তা ছিল না। লেটার মার্ক এর উপরে পাওয়া ওই ৮/১০ নম্বর ও বিশার ফারাক করে দিত। কে কোথায় ভর্তি হবে – কে কোন বিষয় এর উপযোগী তা নিরুপন হত ওই নম্বর গুলোর উপর ভিত্তি করে। ২/৩ গুন কষ্ট করে পাওয়া ৮/১০ বেশি নম্বর ই বলে দিত কে কতটা সিরিয়াস ছাত্র।ছাত্রী এবং সেই অনুযায়ী নিরুপন হত তাদের (আমাদের) ভবিষ্যত।

Mashrafe Mortaza - we are sorry

বাংলাদেশের ক্রিকেট এর অবস্থা এখন আমার মত মাঝারি গোছের ছাত্রের মত।  বড় দল গুলার সারিতে তো এসে পড়েছে ঠিক ই – কিন্তু ঐযে ৮০ আর ৯০ এর ফারাক টা রয়ে গেছে। মাত্র ১০ নম্বর বেশি পাওয়ার জন্য যেমন ২/৩ গুন বেশি পরিশ্রম করতে হত – তেমনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে এইটুকুন ফারাক দূর করার জন্য ২।৩ গুন বেশি পরিশ্রম করতে হবে। ৮০ থেকে ৯০ পাবার জন্য শুধু মাত্র বই নিয়ে বসে থাকলে ই  হত না।  অতিরিক্ত পড়ালেখার পাশাপাশি অনেক ধরনের কৌশল অবলম্বন অত্যাবশ্যকীয় ছিল।  বাংলাদেশ দল কে ও তেমনি সারা দিন ব্যাট বল দিয়ে  লাফঝাপ করালে এর উন্নতি হবে না।  দরকার যথাযথ কৌশল এর। একটা দুর্বল।মাঝারি মানের ছাত্রের যেমন রাতারাতি ভালো ছাত্রে পরিনত হওয়া সম্ভব না – একটা ক্রিকেট দল কে ও রাতারাতি বিশ্বমানের করা সম্ভব না।  ক্রিকেট হচ্ছে পরিকল্পনার খেলা। খেলোয়ারদের যোগ্যতার পাশাপাশি দলীয় কৌশল ও বিরাট ভূমিকা রাখে। মাঠের বাইরের অনেক কিছু ও দলের ফলাফলের উপর ভূমিকা রাখে। আজকে যে দেশগুলার কাছে হেরে যাওয়ার কারনে আমরা আমাদের খেলোয়ারদের অপদস্ত করতে দিধা করি না – সেইসব দেশের ক্রিকেট এর ইতিহাস শতবর্ষ পুরানো। সেইসব দেশের খেলোয়াররা যা পরিশ্রমিক পায় – তার ১০ ভাগের এক ভাগ ও হয়ত আমরা আমাদের ছেলেদের দিতে পারি না।  আমাদের কে এইসব বাস্তবতা মেনে নিয়ে আবেগ কে সংযত করতে হবে।  দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাদের পাঠিয়েছি তাদের কে আজ আমরা অপদস্ত করতে পিছপা হই না।  মাশরাফি – তোমাদের অর্জন যতটুকু ই হোক না কেন আমরা তোমাদের নিয়ে গর্বিত – সেই সাথে আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃক্ষিত।

প্রসঙ্গ: বাংলাদেশ ক্রিকেট – আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃক্ষিত

আমাদের সময়কার এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষার কথা হয়ত এখনকার জিপিএ ৫ পাওয়া ছেলে মেয়েরা কখনো অনুভব করতে পারবে না। আবার আমাদের আগের প্রজন্ম যারা ছিল – তারা ও বুঝতে পারবে না।  কেননা ৫০০০ MCQ মুখস্ত করে ৫০০ নম্বর তুলে ফেলতে পারত তারা। আমরা ছিলাম এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থার সময় – যখন ছিল সত্যিকারের মেধা যাচাই এর স্বর্ণ যুগ। কেন?

প্রথমত, সেই সময়কার শিক্ষা মন্ত্রী হয়ত উচ্চ পাশের হার কে সফলতা অনুধাবনই করতে পারেন নাই।  পারলে হয়ত জিপিএ ৫ নামের এই রকম উদ্ভট শিক্ষা ব্যবস্থার অবতারণা তখনই করে ফেলতেন। এখন নম্বর তোলা কতটা সহজ বা কতটা কঠিন সেই প্রসঙ্গে নাহয় না ই গেলাম। সে এক বিরাট ইতিহাস হয়ে দাড়াবে।

আমি ছিলাম মাঝারি  গোছের ছাত্র।  তাই পরীক্ষার খাতায় প্রাপ্ত নম্বর এর প্রথম টার্গেট ছিল লেটার (মানে ৮০+)। রেসাল্ট বলার সময় যত বেশি বিষয়ে লেটার তত ভাব চলে আসত। এখনকার জিপিএ ৫ কিন্তু ওই আমাদের সময়কার লেটার মার্কই। আমার মত ছাত্ররা ৫/৬ টা লেটার পেয়ে অনেক খুশি হতাম। কিন্তু কিছু পাগল ছিল যারা আমাদের মত ছাত্র দের ২/৩ গুন বেশি পড়ালেখা করত।  এই ২/৩ গুন বেশি পড়ালেখা করে হয়ত আমাদের থেকে গুটি কয়েক (৮/১০ কিংবা ১৫) নম্বর বেশি পেত। এই গুটি কয়েক নম্বর বেশি পেয়ে ও তাদের কে বলতে হত লেটার মার্ক পেয়েছে। এখনকার জিপিএ ৫ এর হিসাবে আমি আর ওই পাগল গুলার ফলাফলের  মধ্যে কিন্তু কোনো তফাত নাই।  ৮০ পাওয়া যা ৯০/৯২ পাওয়া ও তা।

বাবারা – তখনকার পরিস্থিতি কিন্তু তা ছিল না। লেটার মার্ক এর উপরে পাওয়া ওই ৮/১০ নম্বর ও বিশার ফারাক করে দিত। কে কোথায় ভর্তি হবে – কে কোন বিষয় এর উপযোগী তা নিরুপন হত ওই নম্বর গুলোর উপর ভিত্তি করে। ২/৩ গুন কষ্ট করে পাওয়া ৮/১০ বেশি নম্বর ই বলে দিত কে কতটা সিরিয়াস ছাত্র/ছাত্রী এবং সেই অনুযায়ী নিরুপন হত তাদের (আমাদের) ভবিষ্যত।

Mashrafe Mortaza - we are sorry

বাংলাদেশের ক্রিকেট এর অবস্থা এখন আমার মত মাঝারি গোছের ছাত্রের মত।  বড় দল গুলার সারিতে তো এসে পড়েছে ঠিক ই – কিন্তু ঐযে ৮০ আর ৯০ এর ফারাক টা রয়ে গেছে। মাত্র ১০ নম্বর বেশি পাওয়ার জন্য যেমন ২/৩ গুন বেশি পরিশ্রম করতে হত – তেমনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে এইটুকুন ফারাক দূর করার জন্য ২/৩ গুন বেশি পরিশ্রম করতে হবে। ৮০ থেকে ৯০ পাবার জন্য শুধু মাত্র বই নিয়ে বসে থাকলে ই  হত না।  অতিরিক্ত পড়ালেখার পাশাপাশি অনেক ধরনের কৌশল অবলম্বন অত্যাবশ্যকীয় ছিল।  বাংলাদেশ দল কে ও তেমনি সারা দিন ব্যাট বল দিয়ে  লাফঝাপ করালে এর উন্নতি হবে না।  দরকার যথাযথ কৌশল এর। একটা দুর্বল/মাঝারি মানের ছাত্রের যেমন রাতারাতি ভালো ছাত্রে পরিনত হওয়া সম্ভব না – একটা ক্রিকেট দল কে ও রাতারাতি বিশ্বমানের করা সম্ভব না।  ক্রিকেট হচ্ছে পরিকল্পনার খেলা। খেলোয়ারদের যোগ্যতার পাশাপাশি দলীয় কৌশল ও বিরাট ভূমিকা রাখে। মাঠের বাইরের অনেক কিছু ও দলের ফলাফলের উপর ভূমিকা রাখে। আজকে যে দেশগুলার কাছে হেরে যাওয়ার কারনে আমরা আমাদের খেলোয়ারদের অপদস্ত করতে দিধা করি না – সেইসব দেশের ক্রিকেট এর ইতিহাস শতবর্ষ পুরানো। সেইসব দেশের খেলোয়াররা যা পরিশ্রমিক পায় – তার ১০ ভাগের এক ভাগ ও হয়ত আমরা আমাদের ছেলেদের দিতে পারি না।  আমাদের কে এইসব বাস্তবতা মেনে নিয়ে আবেগ কে সংযত করতে হবে।  দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাদের পাঠিয়েছি তাদের কে আজ আমরা অপদস্ত করতে পিছপা হই না।  মাশরাফি – তোমাদের অর্জন যতটুকু ই হোক না কেন আমরা তোমাদের নিয়ে গর্বিত – সেই সাথে আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃক্ষিত।

What is BDIX and what are the benefits of it?

BDIX is an IXP (Junction) where ISPs and other data service providers gets connected among themselves. It was established in 2004. It is a not-for-profit venture of the Sustainable Development Networking Foundation (SDNF) Bangladesh.

How IXP work

Why BDIX?

Internet Service providers used to get bandwidth from various upstream providers from various part of the world through- Submarine cable, VSAT, MicroWave Links etc. When data transmission from one ISP to another ISP was required – it used to go through the upstream providers round the world and come back to the destined ISP. I remember I had two different Internet  connection in my two PC and did a traceroute – and guess what!! There were 20+ nodes it had to pass from one IP to another. This created a lot of latency. Moreover, it was a very inefficient way of communication as data from one computer had to travel half of the world to reach the other one in my next room.

Some prominent ISPs in Bangladesh could well understand the fact and was eager to create an exchange among them so that local Internet traffic may routed locally. Year 2004 – United Nations Development Programme (UNDP) took the initiative through the project named “Sustainable Development Networking Programme” (SDNP). With the help of some individuals and ISPs BDIX was established.

From then more than 50 ISPs and Mobile/data operators got connected through BDIX.

 

What are the benefits?

Saves International Bandwidth

Well it is easy to guess what the benefits are. Local bandwidth remains locally. It means when one user from an ISP sends a files to another user in another ISP – the data does not need to travel out of the country. This keeps the International gateways free of data required to travel within the country. This saves the precious International Bandwidth.

Low Latency

Another benefit is – very low latency. In case of local traffic – data first goes to the BDIX from the source ISP and BDIX routes the data to destined ISP. This is only a matter of 3/4 hops/nodes. This means data travels faster.

High Data Volume

One major benefit is – a huge data can be transferred among the the local users. Since ISPs can get high bandwidth easily from BDIX.

Saves a lot of money to ISPs and End users

Low Cost + High local bandwidth – causing most of the ISPs to get connected to BDIX. BDIX bandwidth is way cheaper than actual International Bandwidth. Moreover, ISPs are creating local FTP server – where they store a bulk of movies, songs, games etc – which used to consume a lot of International Bandwidth. Now users download movies, songs, games etc – but it doesn’t use International Bandwidth keeping that one for much important uses. ISPs are now able to offer very low rate for Internet subscription as they can serve more people with less International bandwidth. End Internet users are getting higher bandwidth at lower cost.

New Features and Services

A lot of local sites have emerged with live TV facility, Local FTP servers, game servers etc. Volume of Data is not a problem if it remains locally.

 

Redundancy

We are developing our own local Internet through BDIX – and if for some reasons – International gateways are disrupted – we are less affected. Although International data transfer may be interrupted but local data communication will still remain running.

 

BDIX membership fee:

10,000 taka for 100mbps port

20,000 Taka for 1GB port.

 

Please visit BDIX website to learn more about them.

Facebook temporarily unavailable – January 27, 2015

Facebook was unavailable for about an hour today. Not sure what happened but this is what I found when I tried to browse FACEBOOK.COM

facebook unavailable - January 27, 2015

UPDATE: From further search on this issue I came to know that the famous Lizard Squad (Black Hat Hacking Group) is responsible for the Facebook down issue. A huge DOS attack has taken down Facebook, Instagram and other social media sites.

Lizard Squad - Black Hat Hacker Group